৭ আশ্বিন ১৪৩৩ , বুধবার   ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জ্বালানি তেলের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার করতে হবে: নাহিদ ইসলাম

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৭:১৮,২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জ্বালানি তেলের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার করতে হবে: নাহিদ ইসলাম

ছবি: সংগৃহীত

জ্বালানি তেলের অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। 

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে এক পোস্টে নাহিদ ইসলাম লেখেন, সরকারের নজিরবিহীন অদক্ষতা ও অব্যবস্থাপনার খেসারত আবারও দিতে হচ্ছে দেশের ১৮ কোটি মানুষকে। সংকট মোকাবিলায় কার্যকর ও সৃজনশীল বিকল্প খুঁজে বের করার পরিবর্তে সরাসরি জনগণের ওপর অসহনীয় বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। 

তিনি জানান, সরকার ক্ষমতায় আসার পর মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই এ নিয়ে তৃতীয় দফায় জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে।

এনসিপি আহ্বায়ক লেখেন, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির পেছনে সরকার মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং পরিবহন ব্যয়সহ নানা যুক্তি দেখাচ্ছে। সরকারের দাবি, সাম্প্রতিক কয়েক মাসে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছে। আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হচ্ছে, জ্বালানি তেল আমদানিতে সরকার ৩২ শতাংশ পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের কর ও শুল্ক আদায় করছে। 

তিনি প্রশ্ন করে বলেন, বর্তমান সংকটের সময়ে নাগরিকদের ওপর চাপ কমাতে অন্তত সাময়িকভাবে এসব কর ও শুল্ক কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হলো না কেন?

বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ আরও লেখেন, সরকার জ্বালানির দাম বাড়িয়ে বছরে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় করতে চাইছে। অথচ নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে চলতি অর্থবছরে অতিরিক্ত ৪৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা এবং দেশের অর্থনীতির ওপর বাড়তে থাকা চাপের মধ্যেই নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নকে কেন এত জরুরি হয়ে পড়লো? সংকট সমাধান পর্যন্ত পে স্কেল কেন স্থগিত রাখা হলো না? যুদ্ধ ও আন্তর্জাতিক সংকটের অজুহাতে জনগণের ওপর বাড়তি বোঝা চাপানো সম্ভব হলে, রাষ্ট্রের অন্যান্য ব্যয় পুনর্বিন্যাস করে জনগণকে কিছুটা স্বস্তি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে না কেন?
 
জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়া জ্বালানি তেলের এই মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, অবিলম্বে এই অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার করতে হবে।

শহীদ

আরও পড়ুন

শীর্ষ সংবাদ: