শিল্পী জাকারিয়া সুমনের একক গীত ও গজল সন্ধ্যা আজ
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৭:৫০,৫ নভেম্বর ২০২৬
ছবি: নিউজমিশন২৪
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সংগীত ও নৃত্যকলা মিলনায়তনে শিল্পী জাকারিয়া সুমনের একক গীত ও গজল সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ তানপুরা শিল্পীগোষ্ঠী অনুষ্ঠানটির আয়োজন করেছে। সংগীতপ্রেমীদের জন্য আয়োজিত এ সন্ধ্যায় শিল্পী জাকারিয়া সুমন এককভাবে সংগীত ও গজল পরিবেশন করবেন। সংগীত ও গজলের সুরে একটি মনোমুগ্ধকর সন্ধ্যা উপভোগ করার সুযোগ করে দিতেই এ আয়োজন। ঢাকার সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অনুষ্ঠানটি সংগীতপ্রেমীদের জন্য একটি বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানটি সবার জন্য আনন্দময় ও উপভোগ্য হয়ে উঠবে—এমন প্রত্যাশা আয়োজকদের।
প্রসঙ্গত, বাংলা গানের সারথি, সংগীতজগতের একজন প্রতিভাবান শিল্পী জাকারিয়া সুমন। ছোটবেলা থেকেই সংগীতের প্রতি তাঁর গভীর অনুরাগ। তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় মায়ের হাত ধরে তাঁর সংগীতশিক্ষার সূচনা হয়। ধীরে ধীরে নিজের প্রতিভা, সাধনা ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে তিনি সংগীতাঙ্গনে পরিচিতি লাভ করেনজাকারিয়া সুমন একজন সংগীতশিল্পী, গীতিকার ও সুরকার। তিনি বাংলা গানের কথা, সুর ও গায়কির মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। বিশেষ করে লোকসংগীত ও মৌলিক বাংলা গানের প্রতি তাঁর আগ্রহ উল্লেখযোগ্য। তিনি বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও সংগীত আয়োজনে অংশগ্রহণ করে বাংলা সংগীতের প্রচার ও প্রসারে কাজ করে যাচ্ছেন।
তিনি কোটালিপাড়া সমকালীন সাহিত্য ও সংস্কৃতি সংগঠনসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তাঁর সংগীতজীবনে অ্যালবাম প্রকাশেরও বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। ২০০৯ সালে তাঁর প্রথম অ্যালবাম প্রকাশিত হয়। পরবর্তীকালে আরও কয়েকটি অ্যালবাম প্রকাশের মাধ্যমে তিনি শ্রোতাদের কাছে নিজের অবস্থান তৈরি করেন। পাশাপাশি তিনি নিজের লেখা গানেও সুরারোপ ও কণ্ঠ দিয়েছেন।
জাকারিয়া সুমন মনে করেন, একটি ভালো বাংলা গানের প্রধান উপাদান হলো সুন্দর কথা, সুর ও গায়কি। তাই তিনি বাংলা গানের স্বকীয়তা ও ঐতিহ্য ধরে রাখার পাশাপাশি নতুনত্বের প্রতিও গুরুত্ব দেন। তাঁর মতে, সংগীত মানুষের মনের ভাব প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম।
বাংলা সংগীতের প্রতি তাঁর ভালোবাসা, নিষ্ঠা ও নিরলস প্রচেষ্টা তাঁকে একজন স্বতন্ত্র শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তাঁর সংগীতচর্চা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড বাংলা গানের সমৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে আশা করেন সংশ্লিষ্টরা।
শহীদ